রাজশাহীতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে প্রায় ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সোমবার রাত থেকে বিভিন্ন রুটে বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
সকাল থেকে ধর্মঘটের কারণে রাজশাহী থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। দূরপাল্লার যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। জরুরি কাজে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেকে বিকল্প উপায়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছালে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয় এবং পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় ও জনদুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।
তিনি সবাইকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
রাত থেকেই রাজশাহী থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এতে যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সকাল থেকে ধর্মঘটের কারণে রাজশাহী থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। দূরপাল্লার যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। জরুরি কাজে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেকে বিকল্প উপায়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছালে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয় এবং পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় ও জনদুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।
তিনি সবাইকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
রাত থেকেই রাজশাহী থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এতে যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :